Breaking




Monday, 23 March 2026

March 23, 2026

আজকের ইতিহাস কুইজ | Test Your Knowledge!

ইতিহাস কুইজ || History Quiz in Bengali Part: 09

আজকের ইতিহাস কুইজ | Test Your Knowledge!
আজকের ইতিহাস কুইজ | Test Your Knowledge!
ইতিহাস শুধুমাত্র অতীতের কিছু ঘটনা বা তারিখের সমষ্টি নয়, এটি মানব সভ্যতার বিকাশ, সংগ্রাম, সাফল্য ও পরিবর্তনের এক বিস্তৃত কাহিনি। আমাদের চারপাশের সমাজ, সংস্কৃতি এবং বর্তমান বিশ্বব্যবস্থাকে বুঝতে হলে ইতিহাসের গভীরে যাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

এই লক্ষ্যেই নিয়ে আসা হয়েছে আজকের বিশেষ ইতিহাস কুইজ, যেখানে আপনি খুঁজে পাবেন প্রাচীন যুগ থেকে আধুনিক সময় পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। মিশর, রোম, ভারতীয় উপমহাদেশ, বিশ্বযুদ্ধ, স্বাধীনতা আন্দোলন—সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এই আকর্ষণীয় কুইজ।

এই কুইজের মাধ্যমে আপনি শুধু নিজের জ্ঞান যাচাই করবেন না, বরং নতুন কিছু তথ্যও জানতে পারবেন। প্রতিটি প্রশ্ন আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে এবং ইতিহাসের নানা অজানা দিক উন্মোচন করবে।

আপনি কি জানেন ইতিহাসের কোন ঘটনাটি বিশ্বের গতিপথ বদলে দিয়েছিল? অথবা কোন মহান ব্যক্তিত্বের সিদ্ধান্ত আজকের সমাজকে প্রভাবিত করেছে? এই ধরনের অনেক প্রশ্নই থাকছে আজকের কুইজে।

বন্ধুদের সাথে এই কুইজটি শেয়ার করুন এবং চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিন—দেখুন কে সবচেয়ে বেশি সঠিক উত্তর দিতে পারে! 

তাহলে আর দেরি কেন? নিজের জ্ঞানকে পরীক্ষা করুন, নতুন কিছু শিখুন এবং ইতিহাসের এই রোমাঞ্চকর যাত্রায় আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন।
চলুন শুরু করা যাক আজকের ইতিহাস কুইজ!

অনলাইন ইতিহাস কুইজ

বিষয় ইতিহাস
পর্ব ০৯
প্রশ্ন সংখ্যা ৪০
পূর্ণমান ৪০
সময় ৬০ সেকেন্ড / প্রশ্ন
Quiz Application

আমাদের সহযোগিতা তোমাদের সাফল্য

Time's Up
score:

Quiz Result

Total Questions:

Attempt:

Correct:

Wrong:

Percentage:

March 23, 2026

জাতীয় বৃত্তি পোর্টাল NSP 2026 – Apply Online, Last Date, Eligibility

NSP স্কলারশিপ 2026: আবেদন পদ্ধতি, শেষ তারিখ ও যোগ্যতা সম্পূর্ণ তথ্য

NSP Scholarship 2026 Apply Online
NSP Scholarship 2026 Apply Online
ভারতের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার অন্যতম বড় সহায়তা হলো জাতীয় বৃত্তি পোর্টাল (NSP)। এটি কেন্দ্রীয় সরকারের একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বিভিন্ন বিভাগ ও মন্ত্রণালয়ের স্কলারশিপ এক জায়গা থেকে সহজেই আবেদন করা যায়।

NSP স্কলারশিপ 2026-এর মাধ্যমে স্কুল থেকে শুরু করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা পেতে পারে। প্রতি বছর নতুন করে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়, তাই সঠিক সময় ও নিয়ম জানা অত্যন্ত জরুরি।

এই পোস্টে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করবো—কিভাবে NSP 2026-এ আবেদন করবেন, আবেদনের শেষ তারিখ, যোগ্যতা এবং লগইন পদ্ধতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য।

NSP স্কলারশিপ কী?
জাতীয় বৃত্তি পোর্টাল (NSP) হলো ভারতের একটি সরকারি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে—
  • বিভিন্ন সরকারি স্কলারশিপ এক জায়গায় পাওয়া যায়
  • অনলাইনে আবেদন করা যায়
  • Direct Benefit Transfer (DBT)-এর মাধ্যমে সরাসরি ব্যাংকে টাকা আসে

NSP 2026 আবেদনের শেষ তারিখ
NSP-এ বিভিন্ন স্কিম থাকায় শেষ তারিখ আলাদা হতে পারে।

👉 সম্ভাব্য সময়সূচি:
  • আবেদন শুরু: জুলাই 2026
  • আবেদনের শেষ তারিখ: অক্টোবর 2026
⚠️ কিছু স্কলারশিপের ক্ষেত্রে:

  • ডিসেম্বর 2026 পর্যন্ত সময় থাকতে পারে
  • Renewal আবেদন আলাদা তারিখে হয়
তবেঃ আবেদন করার আগে অবশ্যই নির্দিষ্ট স্কিমের শেষ তারিখ চেক করুন

NSP স্কলারশিপ 2026 যোগ্যতা
যোগ্যতা স্কলারশিপ অনুযায়ী ভিন্ন হয়, তবে সাধারণ নিয়মগুলো হলো:
  • আবেদনকারী ভারতীয় নাগরিক হতে হবে
  • স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে হবে
  • নির্দিষ্ট শতাংশ নম্বর থাকতে হবে (সাধারণত 60%+)
  • পরিবারের বার্ষিক আয় নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে
  • একই বছরে একাধিক স্কলারশিপ সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়

🎓 NSP স্কলারশিপ: কত % নম্বর ও কত টাকা পাওয়া যায়
স্কলারশিপ নম্বর টাকা
Pre-Matric 50%+ ₹1k–₹6k
Post-Matric 50%+ ₹5k–₹20k
Central Sector 80%+ ₹10k–₹20k
Merit-cum-Means 50%+ ₹20k–₹30k
Disability 50%+ ₹10k–₹30k


প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
আবেদন করার সময় সাধারণত যেসব ডকুমেন্ট লাগে:
  • Aadhaar Card
  • Income Certificate
  • Marksheet
  • Bank Passbook
  • Caste Certificate (যদি প্রযোজ্য হয়)
  • Passport size photo

NSP স্কলারশিপ 2026 আবেদন পদ্ধতি
নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই আবেদন করতে পারো:
  • অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান –
  • “New Registration” ক্লিক করুন
  • প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে OTR (One Time Registration) সম্পন্ন করুন
  • Login করুন
  • Apply for Scholarship-এ ক্লিক করুন
  • ফর্ম পূরণ করে ডকুমেন্ট আপলোড করুন
  • Submit করুন

NSP Login পদ্ধতি
  1. ওয়েবসাইটে যান
  2. “Student Login” ক্লিক করুন
  3. OTR ID / Application ID দিন
  4. Password ও Captcha লিখুন
  5. Login করুন

NSP স্কলারশিপ স্ট্যাটাস চেক
  • Login করার পর “Check Status” অপশন থেকে আবেদন স্ট্যাটাস দেখা যাবে
  • Application ID দিয়ে ট্র্যাক করা যায়

গুরুত্বপূর্ণ লিংক

আবেদন করার লিংক Apply Now
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট লিংক Visit Now
Sohojogita চ্যানেল লিংক Join Now

আরও পড়ুন: 

নবান্ন স্কলারশিপ 2026
সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপ 2026
HDFC স্কলারশিপ 2026
জিপি বিড়লা স্কলারশিপ 2026

Sunday, 22 March 2026

March 22, 2026

যুবসাথী হেল্পলাইন নম্বর 2026 – স্ট্যাটাস, টাকা ও আবেদন সংক্রান্ত যাবতীয় সহায়তা

Yuba Sathi Helpline Number – সমস্যার সমাধান এক ফোনেই!

যুবসাথী হেল্পলাইন নম্বর 2026
যুবসাথী হেল্পলাইন নম্বর 2026
বর্তমানে Banglar Yuba Sathi প্রকল্প নিয়ে বহু আবেদনকারী বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, যেমন—আবেদন স্ট্যাটাস জানা, টাকা অ্যাকাউন্টে না আসা বা আবেদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা। এর পাশাপাশি অনেকেই SMS বা WhatsApp-এ বিভিন্ন তথ্য পাচ্ছেন, যা অনেক সময় সঠিক না হয়ে বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে সঠিক তথ্য জানার জন্য এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান পাওয়ার ক্ষেত্রে হেল্পলাইন নম্বর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই পোস্টে আমরা Yuba Sathi Helpline Number সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো এবং কীভাবে এক ফোনেই আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারবেন, তা সহজভাবে তুলে ধরবো।

📞 যুব সাথী হেল্পলাইন নম্বর – সহজভাবে জানুন সব তথ্য

Banglar Yuba Sathi প্রকল্প সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা বা তথ্য জানার জন্য নির্দিষ্ট হেল্পলাইন পরিষেবা চালু রয়েছে। আবেদনকারী প্রার্থীরা সরাসরি এই নম্বরে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিতে পারেন।

☎️ যোগাযোগের নম্বর

Helpline Number: 6292248888
এই নম্বরে ফোন করলে আবেদন, স্ট্যাটাস বা অন্যান্য জিজ্ঞাসার সমাধান সহজেই পাওয়া যায়।

🛠 কোন কোন বিষয়ে সাহায্য পাবেন

হেল্পলাইনে যোগাযোগ করলে আপনি নিচের বিষয়গুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেতে পারবেন—
✔️ আবেদন প্রক্রিয়া সংক্রান্ত প্রশ্ন
✔️ আবেদন স্ট্যাটাস (Approved / Pending / Rejected)
✔️ টাকা না পাওয়া বা পেমেন্ট সংক্রান্ত সমস্যা
✔️ অভিযোগ বা সমস্যার সমাধান

যোগাযোগের নির্ধারিত সময়

সময়: সকাল ১০:৩০টা – বিকেল ৫:৩০টা

বন্ধ থাকবে: শনিবার, রবিবার এবং সমস্ত সরকারি ছুটির দিনে

📧 অফিশিয়াল Email ID

Email ID: yubasathi2026@gmail.com
যারা ফোন করতে ভয় পাচ্ছেন, তারা এই ইমেলে সমস্যার কথা বলতে পারেন।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

হেল্পলাইনে যোগাযোগ করার সময় নিজের আবেদন নম্বর বা প্রয়োজনীয় তথ্য হাতের কাছে রাখুন, যাতে দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়।

March 22, 2026

ভারতীয় রেলওয়ে বিভিন্ন জোন PDF: সদরদপ্তর || প্রতিষ্ঠাকাল || বিভাগ

ভারতীয় রেলওয়ে বিভিন্ন জোন PDF: সদরদপ্তর || প্রতিষ্ঠাকাল || বিভাগ

ভারতীয় রেলওয়ে বিভিন্ন জোন সমূহ
ভারতীয় রেলওয়ে বিভিন্ন জোন সমূহ
Hello বন্ধুরা,
আমরা আজকে তোমাদের দিচ্ছি ভারতীয় রেলওয়ে জোন ও সদর দপ্তর তালিকা PDF যে পোস্টটি তোমরা যারা রেলওয়ে পরীক্ষা এবং NTPC পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছো তোমাদের জন্য বিশেষ ভাবে কাজে আসবে এবং যারা অন্যান্য পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছো তোমাদের জন্যও কাজে আসবে।

এই টপিকটি থেকে ❐ ভারতীয় পূর্ব রেলওয়ে জোনের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত ?  ভারতীয় পূর্ব-মধ্য রেলওয়ে জোন কবে প্রতিষ্ঠিত হয় ?   উত্তর-মধ্য রেলওয়ে জোনের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত ? এই রকমের প্রশ্ন আসে।
সুতরাং তোমরা আর সময় নষ্ট না করে নীচের দেওয়া তালিকাটি পড়ে নাও এবং PDF-টি সংগ্রহ করে নাও যাতে পরবর্তী সময়ে পড়তে পারো।

ভারতীয় রেলওয়ে বিভিন্ন জোন সমূহ

❏ জোন/দপ্তর :: দক্ষিণ রেলওয়ে [SR]
❏ সদরদপ্তর :: চেন্নাই
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৫১
❏ বিভাগ সমূহ :: চেন্নাই, মাদুরাই, পলক্কড, সালেম,তিরুচিরাপল্লি,তিরুবনন্তপুরম

❏ জোন/দপ্তর :: মধ্য রেলওয়ে [CR]
❏ সদরদপ্তর :: মুম্বাই
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৫১
❏ বিভাগ সমূহ :: পুনে, সোলাপুর, ভুসাওয়াল, নাগপুর ও মুম্বাই

❏ জোন/দপ্তর :: পশ্চিম রেলওয়ে [WR]
❏ সদরদপ্তর :: চার্চ গেট, মুম্বাই
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৫১
❏ বিভাগ সমূহ :: মুম্বাই সেন্ট্রাল, বরোদা, রাতলাম,আমেদাবাদ, রাজকোট, ভাবনগর

❏ জোন/দপ্তর :: পূর্ব রেলওয়ে [ER]
❏ সদরদপ্তর :: কলকাতা
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৫২
❏ বিভাগ সমূহ :: মালদা, হাওড়া, শিয়ালদহ ও আসানসোল

❏ জোন/দপ্তর :: উত্তর রেলওয়ে [NR]
❏ সদরদপ্তর :: নিউ দিল্লী
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৫২
❏ বিভাগ সমূহ :: দিল্লি, আম্বালা, ফিরোজপুর, লখনউ, মোরাদাবাদ

❏ জোন/দপ্তর :: উত্তর-পূর্ব রেলওয়ে [NER]
❏ সদরদপ্তর :: গোরখপুর
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৫২
❏ বিভাগ সমূহ :: ইজ্জতনগর, লখনৌ, বারাণসী

❏ জোন/দপ্তর :: দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে [SER]
❏ সদরদপ্তর :: গার্ডেনরিচ, কলকাতা
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৫৫
❏ বিভাগ সমূহ :: আর্দ্রা, চক্রধরপুর, খড়গপুর, রাঁচি

❏ জোন/দপ্তর :: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে [NFR]
❏ সদরদপ্তর :: মালিগাঁও, গোয়াহাটি
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৫৮
❏ বিভাগ সমূহ :: আলিপুরদুয়ার,লামদিং, রঙ্গিয়া,তিনসুকিয়া,কাটিহার

❏ জোন/দপ্তর :: দক্ষিণ-মধ্য রেলওয়ে [SCR]
❏ সদরদপ্তর :: সেকেন্দ্রাবাদ
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ১৯৬৬
❏ বিভাগ সমূহ :: সেকেন্দ্রাবাদ, হায়দ্রাবাদ, নন্দেদ

❏ জোন/দপ্তর :: পূর্ব-মধ্য রেলওয়ে [ECR]
❏ সদরদপ্তর :: হাজিপুর
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০০২
❏ বিভাগ সমূহ :: দানাপুর, ধানবাদ, মুঘলসরাই,সমস্তিপুর, সোনপুর

❏ জোন/দপ্তর :: উত্তর-পশ্চিম রেলওয়ে [NWR]
❏ সদরদপ্তর :: জয়পুর
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০০২
❏ বিভাগ সমূহ :: জয়পুর, আজমের, বিকানের, যোধপুর

❏ জোন/দপ্তর :: পূর্ব উপকূল রেলওয়ে [ECoR]
❏ সদরদপ্তর :: ভুবনেশ্বর
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০০৩
❏ বিভাগ সমূহ :: খুরদা রোড, সম্বলপুর, বিশাখাপত্তনম

❏ জোন/দপ্তর :: পশ্চিম-মধ্য রেলওয়ে [WCR]
❏ সদরদপ্তর :: জব্বলপুর
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০০৩
❏ বিভাগ সমূহ :: জব্বলপুর, ভোপাল, কোটা

❏ জোন/দপ্তর :: দক্ষিণ-পূর্ব-মধ্য রেলওয়ে [SECR]
❏ সদরদপ্তর :: বিলাসপুর
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০০৩
❏ বিভাগ সমূহ :: বিলাসপুর, রায়পুর, নাগপুর

❏ জোন/দপ্তর :: উত্তর-মধ্য রেলওয়ে [NCR]
❏ সদরদপ্তর :: এলাহাবাদ
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০০৩
❏ বিভাগ সমূহ :: ঝাঁসি, আগ্রা, এলাহাবাদ

❏ জোন/দপ্তর :: দক্ষিণ-পশ্চিম রেলওয়ে [SWR]
❏ সদরদপ্তর :: হুবলি
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০০৩
❏ বিভাগ সমূহ :: হুবলি, বেঙ্গালুরু, মাইসুরু

❏ জোন/দপ্তর :: কলকাতা মেট্রো [MR]
❏ সদরদপ্তর :: কলকাতা
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০১০
❏ বিভাগ সমূহ :: কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

❏ জোন/দপ্তর :: দক্ষিণ উপকূল রেলওয়ে [SCoR]
❏ সদরদপ্তর :: বিশাখাপত্তনম
❏ প্রতিষ্ঠাকাল :: ২০১৯
❏ বিভাগ সমূহ :: বিজয়ওয়াদা, গুন্টুর, গুনতাকাল


ভারতীয় রেলওয়ে বিভিন্ন জোন সমূহ PDF  টি সংগ্রহ করতে নীচের Download Now-লেখায় ক্লিক করো

File Details :: 

File Name:  ভারতীয় রেলওয়ে জোন ও সদর দপ্তর তালিকা

File Format:  PDF

No. of Pages:  02

File Size:  183 KB



আরও পোস্টের নাম পোস্টের লিঙ্ক
ভারতের বিভিন্ন শহরের বিখ্যাত শিল্প তালিকা Click Here
ভারতের উল্লেখযোগ্য জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র সমূহ Click Here
March 22, 2026

সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপ 2026 যোগ্যতা, ডকুমেন্ট, আবেদন পদ্ধতির বিস্তারিত তথ্য

সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপ 2026 - যোগ্যতা-ডকুমেন্ট-আবেদন পদ্ধতির বিস্তারিত তথ্য

সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপ 2026 যোগ্যতা, ডকুমেন্ট, আবেদন পদ্ধতির বিস্তারিত তথ্য
সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপ 2026 যোগ্যতা, ডকুমেন্ট, আবেদন পদ্ধতির বিস্তারিত তথ্য
ডিয়ার স্টুডেন্টস,
তোমরা যারা স্কুল,কলেজে এখনও পড়াশোনা করছো তোমাদের সেই পড়াশোনায় আর্থিক সুবিধা যাতে পেতে পারো তার জন্য আমরা একটি প্রতিবেন তোমাদের সঙ্গে আজকে শেয়ার করছি, যে প্রতিবেদনটি হল সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপ 2026 একে নিয়ে। যে স্কলারশিপের মাধ্যমে তোমরা ভালো অঙ্কের আর্থিক সাহায্য পেতে পারো। তাই আর দেরি না করে অবিলম্বে নীচের প্রতিবেদনটি মনোযোগ সহকারে দেখে নাও এবং বুঝে নাও আর তাড়াতাড়ি আবেদন করে দাও। 

আমরা কম বেশি সকলেই জানি যে সীতারাম জিন্দাল ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে বেশকয়েক বছর ধরে দারিদ্র ছাত্রছাত্রী দের স্কলারশিপের প্রদান করে আসছে। এই সীতারাম জিন্দাল ফাউন্ডেশনের নেটওয়ার্ক All Over India জুরে, যার মেন ব্রাঞ্চ দিল্লীতে অবস্থিত। যে ফাউন্ডেশনেটি শিক্ষার প্রসারের জন্য এবং দারিদ্র ছাত্রছাত্রী উচ্চ শিক্ষার জন্য সাহায্য করে আসছে। 

এই স্কলারশিপের জন্য একাদশ শ্রেণী থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েশন অর্থাৎ স্নাতকোত্তর পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা আবেদন করতে পারবে, তাদের শ্রেণী এবং বিভাগ অনুযায়ী। যে স্কলারশিপের মাধ্যমে একজন ছাত্র বা ছাত্রী মাসে ৫০০ টাকা থেকে ৩২০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সাহায্য পেতে পারে। তাই চলো নীচের প্রতিবেদনটি পড়ে নেওয়া যাক এবং সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপ সম্পর্কে সম্পূর্ণ একটি ধারনা তৈরি করে নেওয়া যাক। 

যেহেতু এই স্কলারশিপটি বিভিন্ন শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য প্রদান করে সেহেতু সেই শ্রেণী অনুযায়ী ক্যাটাগরি ভাগ করা হয়েছে। যেমন- 

পড়াশোনার স্তর পড়াশোনা অনুযায়ী ক্যাটাগরির
ক্যাটাগরি A একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
ক্যাটাগরি B ITI (সরকারি ও বেসরকারি)
ক্যাটাগরি C গ্র্যাজুয়েশন/পোষ্ট গ্র্যাজুয়েশন
ক্যাটাগরি D ডিপ্লোমা
ক্যাটাগরি E মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্নাতক কোর্স

সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপে আবেদনের যোগ্যতা- 

ক্যাটাগরি A - স্কলারশিপে আবেদনের জন্য একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রদের আগের বছরের পরীক্ষায় নূন্যতম 65% নম্বর পেতে হবে। ও ছাত্রীদের নূন্যতম 60% নম্বর পেতে হবে।

ক্যাটাগরি B - স্কলারশিপে আবেদনের জন্য সরকারি ITI কলেজের পড়ুয়ারা পরীক্ষায় পাস করলেই এই স্কলারশিপে আবেদন করতে পারবে। তবে, বেসরকারি কলেজের ছাত্রদের ক্ষেত্রে নূন্যতম 45% নম্বর পেতে হবে ও ছাত্রীদের ক্ষেত্রে নূন্যতম 35% নম্বর পেতে হবে।

ক্যাটাগরি C - স্কলারশিপে আবেদনের জন্য গ্রাজুয়েশন কোর্সর জন্য ছাত্রদের সেমিস্টারে নূন্যতম 65% নম্বর পেতে হবে এবং ছাত্রীদের ক্ষেত্রে সেমিস্টারে  নূন্যতম 60% নম্বর পেতে হবে।
পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সর ক্ষেত্রে ছাত্রদের নূন্যতম 60% নম্বর পেতে হবে এবং ছাত্রীদের ক্ষেত্রে নূন্যতম 55% নম্বর পেতে হবে।

ক্যাটাগরি D - স্কলারশিপে আবেদনের জন্য ডিপ্লোমা কোর্সর ছাত্রদের এই স্কলারশিপের জন্য নূন্যতম 55% নম্বর পেতে হবে ও ছাত্রীদের নূন্যতম 50% নম্বর পেতে হবে।

ক্যাটাগরি E - স্কলারশিপে আবেদনের জন্য মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সর ছাত্রদের পরীক্ষায় 65% নম্বর পেতে হবে ও ছাত্রীদের 60% নম্বর পেতে হবে।

শ্রেণী অনুযায়ী স্কলারশিপের পরিমান-

কোর্স মাসিক স্কলারশিপের পরিমান
একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী ছাত্রদের জন্য ৫০০ টাকা
ছাত্রীদের জন্য ৭০০ টাকা
ITI কোর্স সরকারি কলেজের ছাত্রছাত্রী দের জন্য ৫০০ টাকা
বেসরকারি কলেজের ছাত্রছাত্রী দের জন্য ৭০০ টাকা
গ্রাজুয়েশন কোর্স ছাত্রদের জন্য ১১০০ টাকা
ছাত্রীদের জন্য ১৪০০ টাকা
প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১৪০০ টাকা
সাবেক কর্মকর্তার বিধবা ও অবিবাহিত মেয়ে ১৫০০ টাকা
পোস্ট গ্রাজুয়েশন ছাত্রদের জন্য ১৫০০ টাকা
ছাত্রীদের জন্য ১৮০০ টাকা
প্রতিবন্ধী পড়ুয়াদের জন্য ১৮০০ টাকা
 সাবেক কর্মকর্তার বিধবা ও অবিবাহিত মেয়ে জন্য ১৮০০ টাকা
ডিপ্লোমা কোর্স ছাত্রদের জন্য ১০০০ টাকা
ছাত্রীদের জন্য ১২০০ টাকা
ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স ছাত্রদের জন্য ২০০০ টাকা
ছাত্রীদের জন্য ২৩০০ টাকা
মেডিকেল কোর্স ছাত্রদের জন্য ২৫০০ টাকা
ছাত্রীদের জন্য ৩০০০ টাকা
মেডিকেল (পোস্ট গ্রাজুয়েশন) ছাত্রদের জন্য ২৮০০ টাকা
ছাত্রীদের জন্য ৩২০০ টাকা
হোস্টেলের পড়ুয়া গ্রাজুয়েশন, ITI, ডিপ্লোমা, কোর্সর পড়ুয়াদের মাসিক অতিরিক্ত ১২০০ টাকা
মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের মাসিক অতিরিক্ত ১৮০০ টাকা

সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপ আবেদনের শর্ত -
  • পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা চাকরিরত হলে পারিবারিক বার্ষিক আয় ৪ লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
  • অন্যান্যদের জন্য পারিবারিক বার্ষিক আয় ২.৫ লক্ষের কম হতে হবে।
  • আবেদনকারীর বয়স ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
  • শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য শুধু মাত্র সমস্ত বিষয়ে পাস্ মার্কস পেলেই তারা আবেদনযোগ্য।  
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট -

০১. পাসপোর্ট সাইজের কালার ছবি।
০২. মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সার্টিফিকেট ও মার্কশীটের কপি।
০৩. সর্বশেষ পরীক্ষার মার্কশিট 
০৪. মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা কোর্সের ভর্তির প্রমানপত্র।
০৫. পারিবারিক আয়ের সার্টিফিকেট।
০৬. প্রতিষ্ঠানে দেওয়া শেষ পেমেন্ট রিসিভ কপি।
০৭. সরকারি মেধা কোটার অধীনে ছাত্র ভর্তি সংক্রান্ত শংসাপত্র (ডিপ্লোমা, ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল এবং এমবিএ)
০৮. শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধীদের জন্য, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শংসাপত্র।

সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপে আবেদন প্রক্রিয়া - 
Online বা Offline—দুটোভাবেই করা যায়। 

নীচে আমরা Online-এর স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি গুলি আলোচনা করলাম-

1️⃣এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যাও
2️⃣ “Scholarship” section-এ ক্লিক করো
3️⃣ Application form (online/PDF) খুলে নাও
4️⃣ সব personal ও academic তথ্য fill করো
5️⃣ প্রয়োজনীয় documents (marksheet, income certificate, Aadhaar, photo) upload/attach করো
6️⃣ সবকিছু check করে submit/email/post করে আবেদন সম্পূর্ণ করুন।

 নীচে আমরা Offline-এর স্টেপ বাই স্টেপ পদ্ধতি গুলি আলোচনা করলাম- 
  • প্রথমে নীচে দেওয়া আবেদন পত্রটি সংগ্রহ করে প্রিন্ট আউট করতে হবে।
  • এরপর সেটি সঠিক ভাবে পূরণ করুন।
  • তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট গুলি যুক্ত করুন।
  • তারপর আবেদন পত্রে যে সমস্থ অফিসারের সই করার কথা উল্লেখ করা আছে তাদের সই করান।
  • তারপর একটি মুখ বন্ধ খামে সমস্থ ডকুমেন্ট গুলি সহ আবেদন পত্রটি দিয়ে। নীচে উল্লেখিত ঠিকানায় পোস্ট এর মাধ্যমে আবেদন পত্রটি জমা দিয়ে দিন।
আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা- 

Address: 
অন্ধ্রপ্রদেশ, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, দাদরা ও নগর হাভেলি, দমন ও দিউ, গুজরাট, গোয়া, কর্ণাটক, কেরালা, লক্ষদ্বীপ, মহারাষ্ট্র, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানার জন্য:

The Trustee,
Sitaram Jindal Foundation,
Jindal Nagar, Tumkur Road, Bengaluru 560073

আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, বিহার, ছত্তিশগড়, চণ্ডীগড়, দিল্লি, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, জম্মু ও কাশ্মীর, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, ওড়িশা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, সিকিম, ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পশ্চিমবঙ্গের জন্য:

The Trustee,
Sitaram Jindal Foundation
11, Green Avenue,
Behind Sector D-3, Vasant Kunj,
New Delhi 110070

Email ID: scholarship@sitaramjindalfoundation.org

Tel. Number: +91-80-2371-7777 / 78 / 79 / 80

সীতারাম জিন্দাল স্কলারশিপে আবেদনের শেষ তারিখ- 
সাধারণভাবে নির্দিষ্ট কোনো fixed শেষ তারিখ নেই — Sitaram Jindal Foundation সারা বছর আবেদন গ্রহণ করে।

তবে অনেক ক্ষেত্রে 10 এপ্রিল (প্রতি বছর) একটি গুরুত্বপূর্ণ cutoff হিসেবে ধরা হয়।

তাই দেরি না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবেদন করাই ভালো

গুরুত্বপূর্ণ লিংক - 

আবেদন পত্র Download
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট Click Hare
Sohojogita চ্যানেল লিংক Join Now


Saturday, 21 March 2026

March 21, 2026

মার্চেই মিলবে বকেয়া DA-র প্রথম কিস্তি, নবান্নে জোর প্রস্তুতি

ডিএ ইস্যুতে বড় আপডেট—মার্চেই প্রথম কিস্তি দেওয়ার পথে রাজ্য সরকার

DA ইস্যুতে বড় আপডেট—মার্চেই প্রথম কিস্তি দেওয়ার পথে রাজ্য সরকার
ডিএ ইস্যুতে বড় আপডেট—মার্চেই প্রথম কিস্তি দেওয়ার পথে রাজ্য সরকার
রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর আসতে চলেছে। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা ডিএ (Dearness Allowance) নিয়ে অবশেষে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঘোষণার পরেই নবান্নে তৎপরতা বেড়েছে এবং শুরু হয়েছে বকেয়া ডিএ-র বিস্তারিত হিসাব কষার কাজ। সূত্রের খবর, মার্চ মাসের মধ্যেই পুরনো বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি কর্মীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে বহুদিনের অপেক্ষার পর এই আর্থিক সুবিধা পেতে চলেছেন রাজ্যের লক্ষাধিক কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা, যা তাঁদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

মার্চেই মিলছে বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি, নবান্নে জোর প্রস্তুতি— কর্মীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর

রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বহুদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে অবশেষে বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর থেকেই নবান্নে তৎপরতা বেড়েছে, এবং দ্রুততার সঙ্গে শুরু হয়েছে হিসাবনিকাশের কাজ। জানা যাচ্ছে, চলতি মার্চ মাস থেকেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় সরকার, এমনকি এ সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তিও ইতিমধ্যেই জারি হয়েছে।

অর্থ দফতরের সূত্রে খবর, প্রথম পর্যায়ে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জমে থাকা বকেয়া ডিএ মেটানো হবে। এই সময়ের মোট বকেয়ার অর্ধেক মার্চ মাসেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে এবং বাকি অংশ পুজোর আগে সেপ্টেম্বর মাসে মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে মার্চ মাসেই অনেক কর্মচারীর হাতে বড় অঙ্কের টাকা আসতে চলেছে, যা তাঁদের আর্থিক স্বস্তি বাড়াবে।

হিসাব অনুযায়ী, পঞ্চম বেতন কমিশনের ‘স্কেল ১’-এর আওতায় থাকা কর্মীদের বকেয়া ডিএ নির্ধারণ করা হচ্ছে তাঁদের মূল বেতন ও বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ভিত্তিতে। উদাহরণ হিসেবে, যদি কোনও কর্মীর বেসিক বেতন প্রায় ১০,০০০ টাকা ধরা হয়, তাহলে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে তাঁর মোট বকেয়া প্রায় ৪ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকার কাছাকাছি দাঁড়ায়। এর মধ্যে অর্ধেক অর্থাৎ প্রায় ২ লক্ষ ২৮ হাজার টাকার কিছু বেশি মার্চ মাসেই হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইভাবে, যাঁদের বেসিক বেতন আরও বেশি— যেমন ১২,০০০ বা ১৫,০০০ টাকা— তাঁদের ক্ষেত্রে বকেয়ার অঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়ে কয়েক লক্ষ টাকায় পৌঁছে যেতে পারে, ফলে প্রত্যেকের প্রাপ্য অর্থ তাঁর বেতনের উপর নির্ভর করে ভিন্ন হবে।

ডিএ নির্ধারণের ক্ষেত্রে কর্মীদের বেসিক বেতনই প্রধান ভূমিকা পালন করে। কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র পার্থক্য ধরে দীর্ঘ সময়ের হিসাব কষে এই বকেয়া নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সময়কালের ব্যবধান হিসাবের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে বলে জানা গেছে, যার ফলে কর্মীদের প্রাপ্য অঙ্ক যথেষ্ট বড় হয়েছে।

পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হচ্ছে ইন্টিগ্রেটেড ফিনান্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (IFMS)-এর মাধ্যমে। এই ডিজিটাল ব্যবস্থায় প্রতিটি কর্মীর বেতন, ইনক্রিমেন্ট ও অন্যান্য তথ্য নথিভুক্ত থাকে, ফলে হিসাব করা যেমন সহজ হয়েছে, তেমনই দ্রুত অর্থ পাঠানোও সম্ভব হচ্ছে। বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর থেকে তথ্য সহজলভ্য হওয়ায় সেই সময় থেকেই বকেয়া মেটানোর কাজ শুরু করা হয়েছে।

নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা জমা করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ট্রেজারি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি বেতন বা পেনশন অ্যাকাউন্টে এই অর্থ পাঠানো হবে। বাকি বকেয়া পরবর্তী ধাপে মেটানো হবে বলেও জানানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে বকেয়া ডিএ পাওয়ার পথে বড় পদক্ষেপ নেওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা। এখন সবার নজর মার্চ মাসের সেই প্রতীক্ষিত প্রথম কিস্তির দিকেই।

বকেয়া ডিএ (DA) ২০২৬ – সারসংক্ষেপ

কবে থেকে বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হবে?
উত্তর: রাজ্য সরকার চলতি মার্চ মাস থেকেই বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু করতে চায় এবং ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তি দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

কেন হঠাৎ ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এবং মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কোন সময়ের বকেয়া ডিএ প্রথমে মেটানো হবে?
উত্তর: ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জমে থাকা বকেয়া ডিএ প্রথম ধাপে মেটানো হবে।

পুরো বকেয়া একসঙ্গে দেওয়া হবে কি?
উত্তর: না, প্রথমে মোট বকেয়ার অর্ধেক মার্চে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্ধেক সেপ্টেম্বর (পুজোর আগে) দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

কত টাকা পাওয়া যেতে পারে?
উত্তর: এটি কর্মীর বেসিক বেতনের উপর নির্ভর করে। যেমন—
  • ৭,০০০ টাকা বেসিক হলে প্রায় ১.৪৯ লক্ষ টাকা বকেয়া, তার অর্ধেক মার্চে
  • ১০,০০০ টাকা বেসিক হলে প্রায় ৪.৫৭ লক্ষ টাকা
  • ১৫,০০০ টাকা বেসিক হলে প্রায় ৬.৮৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে

ডিএ কীভাবে হিসাব করা হচ্ছে?
উত্তর: কর্মীর বেসিক বেতন এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র পার্থক্য ধরে দীর্ঘ সময়ের হিসাব কষে বকেয়া নির্ধারণ করা হচ্ছে।

টাকা কীভাবে দেওয়া হবে?
উত্তর: ট্রেজারি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।

কোন সিস্টেমের মাধ্যমে এই হিসাব করা হচ্ছে?
উত্তর: ইন্টিগ্রেটেড ফিনান্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (IFMS)-এর মাধ্যমে সমস্ত হিসাব করা হচ্ছে।

কেন ২০১৬ সাল থেকে হিসাব শুরু হচ্ছে?
উত্তর: ২০১৬ সাল থেকে IFMS-এ তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকায় সেই সময়ের হিসাব করা সহজ ও নির্ভুল।

বাকি বকেয়া কবে দেওয়া হবে?
উত্তর: বাকি বকেয়া ধাপে ধাপে পরবর্তীতে মেটানো হবে, যার বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

আরও পড়ুন- 

আরও পড়ুন- 

আরও পড়ুন- 

March 21, 2026

বিভিন্ন শ্রেণীর লিভার: সংজ্ঞা, শ্রেণীবিভাগ ও উদাহরণ সহ সম্পূর্ণ PDF

বিভিন্ন শ্রেণীর লিভার - সংজ্ঞা || শ্রেণীবিভাগ || উদাহরণ PDF

বিভিন্ন শ্রেণীর লিভার - সংজ্ঞা || শ্রেণীবিভাগ || উদাহরণ PDF
বিভিন্ন শ্রেণীর লিভার - সংজ্ঞা || শ্রেণীবিভাগ || উদাহরণ PDF

পদার্থবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো লিভার বা সহজ যন্ত্র, যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কাজকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে। লিভারের মাধ্যমে আমরা অল্প শক্তি প্রয়োগ করে ভারী বস্তুও সহজে তুলতে বা সরাতে পারি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রম—সব ক্ষেত্রেই লিভারের সংজ্ঞা, শ্রেণীবিভাগ ও বাস্তব উদাহরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই পোস্টে বিভিন্ন শ্রেণীর লিভার (প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণী) সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা, সহজ সংজ্ঞা এবং বাস্তব জীবনের উদাহরণসহ একটি সুন্দর PDF উপস্থাপন করা হয়েছে। যারা মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক বা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই নোটটি বিশেষভাবে সহায়ক হবে। 


একনজরে লিভার-এর সারাংশ

পদার্থবিজ্ঞানে লিভার (Lever) হলো একটি সহজ যন্ত্র (Simple Machine), যার সাহায্যে কম বল প্রয়োগ করে বেশি কাজ করা যায়।
সহজভাবে বলতে গেলে, একটি শক্ত দণ্ড (rod) কোনো একটি নির্দিষ্ট বিন্দুর (Fulcrum বা ভরকেন্দ্র) উপর ভর করে ঘোরে—এই ব্যবস্থাকেই লিভার বলা হয়।

❏ লিভারের প্রধান অংশ

1. Fulcrum (আধার বিন্দু)→ যেখানে দণ্ডটি ঘোরে
2. Effort (প্রয়োগকৃত বল) → যে বল আমরা প্রয়োগ করি
3. Load (ভার) → যে বস্তুকে উঠানো বা সরানো হয়

লিভারের কাজের মূল সূত্র

লিভারে কাজ করার নীতি:
Effort × Effort Arm = Load × Load Arm

❏ লিভারের প্রকারভেদ

১. প্রথম শ্রেণীর লিভার (First Class Lever)
Fulcrum মাঝখানে থাকে
উদাহরণ: দোলনা, কাঁচি

২. দ্বিতীয় শ্রেণীর লিভার (Second Class Lever)
Load মাঝখানে থাকে
উদাহরণ: ঠেলাগাড়ি

৩. তৃতীয় শ্রেণীর লিভার (Third Class Lever)
Effort মাঝখানে থাকে
উদাহরণ: টুইজার, মানুষের হাত

কেন লিভার গুরুত্বপূর্ণ?
  • কম শক্তিতে বেশি কাজ করা যায়
  • দৈনন্দিন জীবনে অনেক কাজে ব্যবহৃত (যেমন: বোতল খোলা, ভার তোলা)

একনজরে বিভিন্ন শ্রেণীর লিভার

 আলম্ব কাকে বলে ?

➥ যে স্থির বিন্দুকে কেন্দ্র করে লিভারটি চারপাশে ঘুরতে পারে তাকে আলম্ব বলে।

 বাহুবল কাকে বলে ?

➥ এই আলম্বের একই দিকে বা বিপরীত দিকে অবস্থিত দুটি বিন্দুর একটিতে বল প্রয়োগ করা হয় এবং অন্যটিতে ভার থাকে। আলম্ব থেকে বলের প্রয়োগ বিন্দুর দূরত্বকে বলবাহু বলে।

 লিভার কাকে বলে ?

➥ লিভার হলো একটি সরল বা বাঁকান দণ্ড যার একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থাকে এবং ওই বিন্দুকে কেন্দ্র করে দণ্ডটি ওই বিন্দুর চারিদিকে অবাধে ঘুরতে পারে।

 রোধবাহু কাকে বলে ?

➥ আলম্ব থেকে ভারের প্রয়োগ বিন্দুর দূরত্বকে রোধবাহু বলে।

 লিভারের শ্রেণীবিভাগ ঃ 

ভারের প্রয়োগ বিন্দু, প্রযুক্ত বল, আলম্ব বিন্দু বিভিন্ন অবস্থানের ভিত্তিতে লিভারকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়
০১. প্রথম শ্রেণীর লিভার
০২. দ্বিতীয় শ্রেণীর লিভার 
০৩. তৃতীয় শ্রেণীর লিভার

প্রথম শ্রেণীর লিভার 
চিত্র ঃ  
প্রথম শ্রেণীর লিভার 
সংজ্ঞা ঃ যে লিভারের আলম্ব বিন্দুর একদিকে ভার এবং অন্যদিকে বল ক্রিয়া করে, তাকে প্রথম শ্রেণীর লিভার বলে।

যান্ত্রিক সুবিধা ঃ এই শ্রেনীর লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা ১ অপেক্ষা বেশি, ১-এর সমান বা ১ অপেক্ষা কম এই রকমই হতে পারে।
১ অপেক্ষা বেশি = সাঁড়াশি, পেরেক তোলার যন্ত্র
১-এর সমান = সাধারণ তুলাযন্ত্র
১ অপেক্ষা কম = ঢেঁকি 

উদাহরন ঃ সাঁড়াশি,বেলচা,নলকূপের হাতল,টুথব্রাশ,পেরেক তোলার যন্ত্র, কাঁচি।

দ্বিতীয় শ্রেণীর লিভার 
চিত্র ঃ 
দ্বিতীয় শ্রেণীর লিভার 
সংজ্ঞা ঃ যে লিভারের একদিকে আলম্ব এবং অন্য দিকে বল প্রয়োগ করা হয় এবং আলম্ব ও বলপ্রয়োগ বিন্দুর মধ্যবর্তী স্থানে ভার দেওয়া হয়, তাকে দ্বিতীয় শ্রেনীর লিভার বলা হয়।

যান্ত্রিক সুবিধা ঃ  এই শ্রেনীর লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা সর্বদাই ১-এর বেশি।

উদাহরন ঃ যাঁতি, ছিপি খোলার চাবি, নৌকার দাঁড়, একচাকার হাতগাড়ি ইত্যাদি।


তৃতীয় শ্রেণীর লিভার 
চিত্র ঃ  
তৃতীয় শ্রেণীর লিভার 
সংজ্ঞা ঃ যে লিভারে দণ্ডের এক প্রান্তে আলম্ব থাকে ও অপর প্রান্তে ভার বা বাধা ক্রিয়া করে এবং দুই প্রান্তের মাঝে যে কোনো বিন্দুতে বল প্রয়োগ করা হয়, তাকে তৃতীয় শ্রেণির লিভার বলে। 

যান্ত্রিক সুবিধা ঃ এই শ্রেনীর লিভারের যান্ত্রিক সুবিধা সর্বদাই ১-এর কম হয়।

উদাহরন ঃ মানুষের হাত, মাছ ধরার ছিপ, চিমটি, মুখের চোয়াল, ক্রেন ইত্যাদি। চিমটিতে তৃতীয় শ্রেনীর দুটি লিভার একসঙ্গে কাজ করে।

বিভিন্ন শ্রেণীর লিভারের PDF-টি সংগ্রহ করে নীচে Download Now লেখায় ক্লিক করো।

File Details :: 

File Name: বিভিন্ন শ্রেণীর লিভার

File Format:  PDF

No. of Pages:  04

File Size:  507 KB